নিজস্ব প্রতিবেদক
জমি ক্রয়-বিক্রয়, বণ্টনকে কেন্দ্র করে প্রতারণা ও অতিরিক্ত জমি বিক্রির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী আবু আহাম্মদ ভূঁঞা। শনিবার (২৬ এপ্রিল) শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, শহরের চাড়িপুর এলাকার পেয়ার আহম্মদ ভূঁঞা, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা হাসান মাহমুদ সবুজ ও জাফর আহম্মদ বিভিন্ন সময়ে আমার সাথে জমি লেনদেনের নামে প্রতারণা করেছেন। বিগত সময়ে তারা আপোষ বণ্টনের কথা বলে জমি রেজিস্ট্রি না দিয়ে তা অন্যত্র হস্তান্তর করে। এছাড়াও অতিরিক্ত জমি বিক্রির মতো অনিয়মও তারা করে। এসব অনিয়মের সাথে বাবুল চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন মানিক, রনি, আজাদ ও মান্নান জড়িত থাকার বিষয়টি তিনি সংবাদ সম্মেলনে জানান।পেয়ার আহম্মদ ভূঁঞা উপরোল্লিখিত ব্যক্তিদের কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করে আমার সাথে জমি সংক্রান্ত প্রতারণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো অভিযোগ করেন, মানিক, আশরাফ, আজাদ, বাবুল চৌধুরী, পেয়ার আহম্মদ ভূঁঞার বিরুদ্ধে দেওয়ানী ও বন্টনের মামলা আদালতে চলমান রয়েছে বলে জানান আবু আহম্মদ ভূঁঞা।বিএস ১৪০ নং খতিয়ানের ৮৬৭৬ দাগে আমার কাছ থেকে ৩ শতক জমি নেয়া হলেও প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আমাকে অন্য খতিয়ানে সমপরিমাণ জমি বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। প্রতারণার মাধ্যমে আমার জমি তার নাতি-নাতনিদের নামে রেজিস্ট্রি করে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আমার কাছে সাড়ে চার শতক জায়গা বিক্রি করে পুরো টাকাও তারা গ্রহণ করে। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাকে আমার জমি রেজিস্ট্রি করে দেয়া হয়নি টাকাও ফেরত দেয়া হয়নি। পেয়ার আহম্মদ ভূঁঞা বিভিন্ন দাগে তার নিজের হিস্যার জমি ছাড়াও আমাদের একাধিক জমি বিক্রি করেছেন। মোট সম্পত্তির সঠিক হিসাব দিতে তিনি অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। পেয়ার আহম্মদ ভূঁঞা নিজ হিস্যার অতিরিক্ত ৩০ থেকে ৪০ শতক জমি বেশি বিক্রি করেছেন আমার প্রাপ্য জমিও বুঝিয়ে দিচ্ছেন না।এসব ঘটনায় জড়িতরা ভূমিদস্যু হিসেবে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছেন। আমি কোন প্রকার মারামারি ও জবর দখল না করে দেওয়ানী আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরেও তারা আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোপাগাণ্ডা ছড়াচ্ছেন। এসময় ভুক্তভোগী আবু আহাম্মদ ভূঁঞা উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে এইসব ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




