নিজস্ব প্রতিবেদক
মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রবাসী বেলায়েত হোসেন। শনিবার (২৬ এপ্রিল) শহরের একটি রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে আমি আরব আমিরাতে অবস্থান করছি। ২০০৮ সাল থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত আমাদের প্রতিবেশী মহিউদ্দিন মাছুম আমাদের কাছে সম্পত্তি পাবে এই মর্মে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ২০২৪ সালে মহিউদ্দিন মাছুম, নাজিম উদ্দিন, আলা উদ্দিন, আবুল কালাম ও নুর আহাম্মদ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার বাবা আমির হোসেন ও বড় ভাই শাখাওয়াত হোসেন রিপনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এ ঘটনায় আমার বাবা ও বড় ভাই বাদী হয়ে ফেনী মডেল থানায় অভিযোগ করতে যায়। কিন্তু মহিউদ্দিন মাছুম প্রভাব খাটানোর কারণে আমার বাবা ও বড় ভাইয়ের কাছ থেকে থানা কর্তৃপক্ষ অভিযোগটি গ্রহণ করেননি। উল্টো মহিউদ্দিন মাছুম আমার বাবা ও ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ আমার বাবা ও ভাইকে গ্রেফতার করে। ২০১৬ সালের ৬ মার্চ মহিউদ্দিন মাছুম বাদী হয়ে পুলিশ সুপারের (সদর সার্কেল) কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি সুরাহা করার জন্য জেলা পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) একজন আইনজীবীও নিয়োগ দেন। কিন্তু বাদী পক্ষের অনুপস্থিত থাকার ফলো বিষয়টি সুরাহা হয় নাই। পুনরায় ২০১৬ সালে মহিউদ্দিন মাছুমের ফুফাতো ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে আমার বাবা ও দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করে। এই মামলায় বাদী পক্ষ যথোপযুক্ত তথ্য ও প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে আদালত আমার বাবা ও দুই ভাইকে জামিন দেন। ২০২৩ সালে মহিউদ্দিন মাছুম বাদী হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইবুন্যালে আরেকটি মামলা দায়ের করে। এই মামলাটি বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে।
সবশেষ গত বছরের ১০ ডিসেম্বর আমার বড় ভাই শাখাওয়াত হোসেন রিপন সৌদি আরব থেকে দেশে এসে তার জায়গায় পাকা দালান ঘর নির্মাণ করতে গেলে নির্মাণকাজে মহিউদ্দিন মাছুম ও আবুল কালাম বাধা দেয়। এ ঘটনায় গত ২৮ এপ্রিল আদালতের মাধ্যমে মহিউদ্দিন মাছুম আমার বড় ভাইয়ের দালান ঘরের নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়। গত শুক্রবার আমার বাড়িতে পুলিশ গিয়ে জায়গাজমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র নিয়ে আগামীকাল সোমবার ফেনী মডেল থানায় উপস্থিত থাকতে বলেন। এইসব ঘটনায় আমার ৩৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। এসময় ভুক্তভোগী বেলায়েত হোসেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে তার পরিবারের নিরাপত্তা ও মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানির সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।




