নিজস্ব প্রতিবেদক
মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.টি.এম সামছুল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকালে শহরের ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আয়োজনে ঘণ্টাব্যাপী এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর মনির আহমদ বাচ্চুর সভাপতিত্বে মানববন্ধন পরবর্তী আয়োজিত প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও ওয়ার্ড ছাত্রদল নেতা মুরাদ জিলানী। এসময় বক্তারা বলেন, বিগত সময়ে নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইচ্ছেমাফিক শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করেছেন। এই অনিয়মের প্রতিবাদ করায় বিদ্যালয়ের ধর্মীয় শিক্ষক মোহাম্মদ ইলিয়াছকে তিনি শোকজ করেন। মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের কোডে নন এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদেরকে রেজিষ্ট্রেশন করানো ও এসএসসির ফরম ফিলাপ করানের মাধ্যমে অনৈতিকভাবে এ.টি.এম সামছুল হক চৌধুরী আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করেছেন। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিপুল অর্থের বিনিময়ে তিনি বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগ দেন। চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছ থেকে প্রধান শিক্ষক বোর্ড নির্ধারিত ফি’র চেয়ে রশিদ বিহীন অতিরিক্ত টাকা আদায় করেছেন। সবশেষে বক্তারা বর্তমান প্রধান শিক্ষককে দ্রুত অপসারণ করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবি জানান। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য মধুপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এ.টি.এম সামছুল হক চৌধুরী হজব্রত পালনের জন্য ছুটিতে আছেন।




