জমির বেগ
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জনতার বিপ্লবে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গা ঢাকা দেয় ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোশারফ হোসেন ভূঞা ও সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারী। জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পারভেজুল ইসলাম হাজারী ইতোমধ্যে মহিপালে ছাত্র হত্যা মামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলার আসামী হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। সভাপতি মোশারফ হোসেন ও সরকারের পটপরিবর্তনের পর চলে যায় আত্মগোপনে। এতে রাহুমুক্ত হয়েছে মনে করছেন সাধারণ ব্যবসায়ীরা। স্বস্তি বিরাজ করছে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের মাঝে।
দীর্ঘ প্রায় তিন মাস সংগঠনটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের কার্যালয়ে উপস্থিত না থাকায় দৈনন্দিন কাজে দেখা দিয়েছে বিভিন্ন সংকট। এদিকে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ফেনী বড় বাজারস্থ সমিতির কার্যালয়ে তালা লাগিয়ে দেন ন্যায় বিচার বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার হওয়া ব্যবসায়ীরা।
৫ আগস্ট সরকার পতনের দিন রাতেই বড় বাজারসহ শহরের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অরাজকতা সৃষ্টি করে একদল দুর্বৃত্ত। এসময় বড় বাজারসহ শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান দুর্বৃত্তায়নের হাত থেকে রক্ষা করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যান শহরের রামপুর এলাকার বিএনপি ও জামায়াত ঘরানার ব্যবসায়ীরা। স্থানীয়রাসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা বেশ কয়েকদিন ফেনী বড় বাজারসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে দলবল নিয়ে রাত-দিন পাহারা দেন। বাজারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কমিউনিটি পুলিশের সদস্যদের সহযোগিতা দিয়ে তাদের মনোবল বৃদ্ধি করেন। বাজার ও শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান পাহারা দেন জেলা বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ, শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুল, প্রচার সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন হেলাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ।
সরেজমিনে বাজারে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ব্যবসায়ী সমিতির শীর্ষ দুই নেতাসহ বেশ কয়েকজন নেতা তাদের কার্যালয়ে না আসায় ব্যবসায়ীরা দৈনন্দিন ঘটে যাওয়া বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। তারা জানান, সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুলসহ দুই থেকে তিনজন নেতৃবৃন্দ ঘটনার বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষনিক সমাধান করলেও দাপ্তরিক বিভিন্ন কাজে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের স্বাক্ষর প্রয়োজন রয়েছে। বর্তমানে যারা শহর ব্যবসায়ী সমিতির পরিচালনা করছেন তারা অতীতের ঝুলে থাকা কয়েকটি অভিযোগের সমাধান খুব অল্প সময়ের মধ্যে সামাধান করেছেন।
খাজা আহম্মদ সড়কের রূপালী ওয়াচ এন্ড ইলেকট্রনিক্স এর মালিক নুর নবী সোহাগ জানান, তাদের মার্কেটের ভাড়াটিয়াদের সাথে মালিকের ঝুটঝামেলা ছিল। ঘটনাটি দীর্ঘদিন ঝুলন্ত ছিল। কোন সমাধানেই আসা যাচ্ছিল না। গতমাসে ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুল দুই পক্ষকে নিয়ে বসেছেন। তিনি অল্পসময়ের মধ্যে সমস্যার সমাধান করে দেয়। এতে মালিক পক্ষসহ সবাই সন্তুষ্ট হয়েছি।
যেভাবে পারভেজ হাজারীর আবির্ভাব :
স্থানীয় ব্যবসায়ীদের জনপ্রিয় সংগঠন ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সাল থেকে। কার্যকরি কমিটির ২৭টি পদ ও ২৯টি শাখা কমিটির ৫জন করে মোট ১৪৫ জন দিয়েই শহর ব্যবসায়ী সমিতি পরিচালিত হয়। এ পর্যন্ত শহর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে মাত্র একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন জিয়া উদ্দিন মিস্টার ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন ফারুক হারুন। এ কমিটি পরপর কয়েকবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় স্বপদে বহাল থাকেন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে সভাপতি হন ফারুক হারুন ও সাধারন সম্পাদক হন আলাল উদ্দিন আলাল। সবকটি কমিটি সিলেকশানের মাধ্যমে হয় বলে জানা যায়। এসময় বর্তমান সাধারণ সম্পাদক পারভেজ হাজারী শাখা কমিটির দায়িত্ব পালন করতেন। একপর্যায়ে ২০১৭ সালের ২৪মে শহর ব্যবসায়ী সমিতির দায়িত্ব নেয় মোশাররফ হোসেন ভূঞা ও পারভেজুল ইসলাম হাজারী। কোন নির্বাচন ছাড়াই তারা পদ-পদবিগুলো দখল করে নেন।
পারভেজ হাজারী তার অভিভাবক নিজাম হাজারীর আশীর্বাদ নিয়ে একটি কমিটি করেন। কমিটির ব্যালেন্সের জন্য রামপুরের বিএনপি ঘরানার কয়েকজন ব্যবসায়ীকেও রাখেন। মূলত পুরো শহর ব্যবসায়ী সমিতি পারভেজ হাজারী এককভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যবসায়ী জানান, শুরুর দিকে বেশ কিছুদিন সমিতির কার্যক্রম মোটামুটি ভালভাবে চলতে থাকে। ২০১৯ সালে করোনাকালীন সময় থেকে ব্যবসায়ীদের ওপর নানা নির্যাতন শুরু করেন পারভেজ হাজারী। সমিতির দুই-একজন প্রভাবশালী সদস্যের সহযোগিতায় পারভেজ হাজারী শুরু করেন বিচারের নামে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা মারা। তিনি এসময় গ্রেফতার বানিজ্য, শালিস বানিজ্যসহ সমিতির বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন।
সমিতির যুগ্ম সম্পাদক কাজী আরিফ রুবেলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় পারভেজ হাজারীকে সহযোগিতার অভিযোগ পাওয়া যায়। জানতে চাইলে রুবেল জানান, সমিতির সুনাম অন্য কেউ নয় একমাত্র পারভেজ হাজারীই নষ্ট করেছে। আমি ও আমরা বেশ কয়েকজন তাকে লাইনে আনতে সৎপথে আনতে চেষ্টা করেছি, কিন্তু ব্যর্থ হয়েছি।
তাকিয়া রোডের মসলা ব্যবসায়ী রানা সাহা জানান, আমাদের পারিবারিক একটা ঝামেলা নিয়ে পারভেজ হাজারী আমাকে ও আমার বড় ভাই রনি সাহাকে রাজনৈতিক এবং ধর্মীয়ভাবে হেনেস্তা করেছেন। নানা অপমান-অপদস্তও করেছেন। বাজারে আমাদের তিনটা দোকান আছে। আমার বাবাসহ আমরা তিনজন শহর ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য। তিনি বিভিন্ন স্থানে খবর দিয়ে নিয়ে গিয়ে নাজেহাল করতেন। ধমক দিতেন। শুধু আমি নয়, এরকম শতশত ব্যবসায়ীকে অপমান অপদস্ত করেছেন পারভেজ হাজারী। বিচারে তিনি তার সুবিধামতো রায় দিতেন ও প্রায় অভিযোগ সমাধান না করে ঝুলিয়ে রাখতেন।
পারভেজ হাজারীর সালিশ বানিজ্য, ফুটপাত থেকে চাঁদা আদায়, দোকান মালিকদের ঘর প্রভাব খাটিয়ে অন্যের কাছে ভাড়া দেয়া, সমিতির টাকা আত্মসাতসহ বিভিন্ন অনিয়মের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগও ব্যবসায়ীদের।
ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসায়ীরা জানান, পারভেজ হাজারী ব্যবসায়ী সমিতির অফিসটি শালিস বানিজ্যের একটা আখড়ায় পরিনত করেছিলেন। তিনি ব্যবসা সংক্রান্ত নয়, এমন অনেক ঘটনাও দালালের মাধ্যমে এ অফিসে এনে টাকার বিনিময়ে সমাধান করতেন। তিনি প্রায় অভিযোগের সমাধান না করে সমস্যা জিইয়ে রাখতেন। প্রায় সময় এক পক্ষ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে অপরপক্ষের ওপর জুলুমের রায় চাপিয়ে দিতেন। প্রভাবখাটিয়ে জুলুমের রায় দেয়ার অভিযোগ তার বিরুদ্ধে রয়েছে অহরহ।
শহীদ শহীদুল্লা কায়সার সড়কে দোকান ঘরের জায়গার মালিক ইফতেখারুল আলমের যুক্তিসংগত আপত্তি সত্ত্বেও তার কয়েকজন ভাড়াটিয়ার তিন বছর করে দোকান ঘরভাড়ার চুক্তির মেয়াদ বাড়িয়ে দেন পারভেজ হাজারী। বয়োবৃদ্ধ ইফতেখারুল আলম বলেন, দোকান ঘরগুলো আমার। পারভেজ হাজারী দোকানগুলোর ভাড়ার চুক্তিনামার মেয়াদ তিন বছর বাড়িয়ে দিয়েছে। তিনি আমার কোন কথাই শুনতে চায়নি। পরবর্তীতে জেলার শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে গিয়েও সমাধান পাইনি। পারভেজ হাজারীর বিরুদ্ধে বড় বাজারের ব্যবসায়ী শম্ভু কর্মকারের দোকান তালা দেয়াসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে তালা দেয়ার অভিযোগ রয়েছে প্রতিবেদকের কাছে।
পারভেজ হাজারীর এতই ক্ষমতাবান বনে গিয়েছিল যে, জেলার যেকোন স্থানে ঘটে যাওয়া বিরোধ নিয়ে সালিশ-বাণিজ্য করতেন তিনি। এরকম একটি ঘটনা ঘটে ফেনীর ছাগলনাইয়ায়। ওই উপজেলার নিজকুঞ্জুরায় ইন্ডাষ্ট্রিয়াল ব্যবসায়ী নিফাস ফুডস এর মালিক ফজলুল বারী শহর ব্যবসায়ী সমিতির আওতাধীন না হওয়ার পরও তাকে সদর উপজেলার খাইয়ারার অপর একজনের অভিযোগে পারভেজ হাজারী সালিশে ডাকেন। তার ডাকে হাজির না হওয়ায় মাস খানেক পর শহর ব্যবসায়ী সমিতি থেকে তার বিরুদ্ধে একতরফা একটি রায় দেয়া হয়। পরবর্তীতে তিনি একপক্ষীয় রায় না মেনে আদালতে মামলা করেন।
অপরদিকে ইসলামপুর রোডে জাবেদ রাইসের মালিক পাশা’র মিলস্ পারভেজ হাজারী তার নিজ জিম্মায় ভাড়া দিয়ে দেন। পরবর্তীতে চাপ সৃষ্টি করে পাশা থেকে চুক্তি নামায় স্বাক্ষর করে নেন। এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কমিউনিটি পুলিশের নামে আদায় করা লাখ-লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। ফেনী বড় মসজিদের সামনে থেকে ট্রাংক রোড পর্যন্ত সড়কের দুুুই পাশে ও ফেনী বাজারে ফুটপাতের দোকান থেকে ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের নামে চাঁদা আদায় করা হতো বলে জানা যায়। সাধারণ সম্পাদকের ব্যক্তিগত সহচর ও ব্যবসায়ী সমিতি অফিসের স্টাফ আবুল কাশেমের মাধ্যমে একটি সিন্ডিকেট বাজারে ফুটপাতের চাঁদা আদায় করতো।
যেভাবে চলছে বর্তমান কার্যক্রম :
৫ আগষ্টের পর বিশেষ করে রাত্রিকালিন সময় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো অরক্ষিত হয়ে পড়ে। নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকা কমিউনিটি পুলিশ ৪০জন (মার্কেটগুলোসহ) ও অফিস ষ্টাফ তিনজনের ভাগ্য অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়ীদের কথা চিন্তা করে এবং কমিউনিটি পুলিশ সদস্য, অফিস ষ্টাফদের স্বার্থে তাৎক্ষনিক বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতায় কমিউনিটি পুলিশ কার্যালয়ে সমিতির কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয় শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক মুশফিকুর রহমান পিপুলকে। সমন্বয়কের দায়িত্ব পান গিয়াস উদ্দিন হেলাল ও আবুল কালাম আজাদসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী প্রতিনিধি। আজঅবধি কমিউনিটি পুলিশ পরিচালনা, ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন সমস্যার দেখ-ভাল করে যাচ্ছেন এ কমিটি।
মুশফিকুর রহমান পিপুল জানান, ৫ আগষ্ট থেকে রাত্রিকালীন নিরাপত্তা ব্যবসায়ীদের জান-মাল রক্ষা ও বিভিন্ন সমস্যা সমধানের চেষ্টা করছি। আগে বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে ব্যবসায়ীদের নায্য সমস্যার পক্ষে কথা বলতে পারিনি। অজান্তে ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। আগে কমিউনিটি পুলিশের সদস্যদের ৮ হাজার টাকা করে বেতন দেয়া হতো। আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর তাদের বেতন এক হাজার করে বাড়িয়ে ৯ হাজার টাকা করেছি। অভিযোগর ব্যাপারে জানতে পারভেজ হাজারীর ব্যবহৃত মুঠোফোনে ০১৭১১-১৪২১৬৪ কল দেয়া হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
বর্তমান কমিটির মেয়াদ অনেক আগে শেষ হয়ে গেলেও নতুন করে কমিটি না করায় ব্যবসায়ীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ব্যবসায়ীরা নতুন নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটির দাবী ও জানান।
এব্যাপারে জানতে চাইলে শহর ব্যবসায়ী সমিতির প্রথম নির্বাচিত সভাপতি জিয়া উদ্দিন মিস্টার জানান, আমাদের প্রথম কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে হয়েছে। পরবর্তীতে কমিটিগুলো নির্বাচনের মাধ্যমে হয়নি। তবে ব্যবাসয়ীদের মতামতের উপর ভিত্তি করে হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়াধীন ছিলো। প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী না থাকায় নির্বাচন হয়নি। ২০১৭ সালে স্থানীয় এমপির আশীর্বাদের চলমান কমিটি দেয়া হয়েছে। আমি চাই নির্বাচনের মাধ্যমে যেন শহর ব্যবসায়ী সমিতির একটি স্বচ্ছ কমিটি করা হয়। আমি জেলা প্রশাসককে অনুরোধ করবো শহর ব্যবসায় সমিতি ও ফেনী বড় জামে মসজিদ কমিটি যেন নির্বাচনের মাধ্যমে করে দেয়া হয়। বড় মসজিদ কমিটিতে যারা আজীবন সদস্য রয়েছেন তাদের মধ্য থেকে ভোটাভুটির মাধ্যমে যেন একটি নির্বাচন করে দেয়া হয়।
উল্লেখ্য; দৈনিক আমার ফেনীর ১৭ মে ২০২৩ সংখ্যায় ‘দোকান মালিকের তবে ভাড়া দেন শহর ব্যবসায়ী সমিতি!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন হওয়ায় ব্যবসায়ীরা সংবাদটি লুফে নিয়েছিলেন। তখন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা প্রতিবেদকের কাছে পারভেজ হাজারীর বিরুদ্ধে গোপন থাকা বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য দেন।
প্রসঙ্গত; রেজিস্ট্রার অব ট্রেড ইউনিয়নের আইন অনুযায়ী ব্যবসায়ী সমিতির মেয়াদ তিন বছর। অথচ ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতি আজ ৭ বছর এক কমিটি দিয়ে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।




