কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি
ঘড়ির কাঁটায় দুপুর ২টায় ধর ধর। বন্ধু রিফাতের ফোনে কল বেজে ওঠার সাথে সাথে রিসিভ করতেই অপর প্রাপ্ত থেকে বন্ধু আবুল আউয়াল বলল, দুঃখিত সময়ের অভাবে দেখা করে আসতে পারিনি। বিদেশ চলে যাচ্ছি।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) বিকাল ৪.৪৫ মিনিটের ফ্লাইটে। কিছুইতে রিফাত বিশ্বাস করছিল না, প্রবাসগামী আউয়ালের কথা। বন্ধুকে বিশ্বাস করানোর জন্য আউয়াল তার পাসপোর্টের ভিসা সংযুক্ত ছবি ও বিমানের টিকেটের ছবি পাঠায় বন্ধু রিফাতের ফোনে। এটাই কাল হয়ে গেছে আউয়ালের। বিদেশ যাওয়ার স্বপ্ন সাধ যে মিটে যাবে বুঝে উঠতে পারেনি সে। বিশ্বস্ত বন্ধু রিফাত তাৎক্ষনিক ৯৯৯’এ ফোন করে পুলিশকে জানায়, ছাত্রলীগের পলাতক নেতা ও মামলার আসামী আউয়ার বিদেশ পালিয়ে যাচ্ছে। খবর পেয়ে বিমান বন্দর পুলিশের ইমিগ্রেশন শাখা আউয়ালকে আটক করে। কোম্পানীগঞ্জ থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তরের পর এখন আসামী হয়ে আউয়াল নোয়াখালী কারাগারে রয়েছে।
সে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীরের ছেলে। আটক আবদুল আউয়াল ও তার বন্ধু রিফাত দু’জনই একই সংগঠন রামপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতা। কিন্তু রিফাত বন্ধু হয়ে কোন কারণে বন্ধু আউয়ালের সর্বনাশ করেছে এ প্রশ্ন সকলের। এলাকাবাসীর দাবী, আটক আউয়ালের বন্ধু রিফাতকেও আটক করে আইনের আওতায় আনা হোক। সেও ছাত্রলীগের ব্যানারে বিগত সরকার আমলে অনেক অপকর্মের নায়ক।




