আমার ফেনী ডেস্ক
দৈনিক ইনকিলাবের ফেনী জেলা সংবাদদাতা মো. ওমর ফারুকের উপর হামলাকারী মামলার ২নং আসামী নুরুল আফছার সোহাগকে কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। রোববার ফেনীর সদর কোর্টে আসামী সোহাগ হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে আদালত আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল কুদ্দুছ জানান, নুরুল আফছার সোহাগের বিরুদ্ধে মামলার এজহারে সাংবাদিক ওমর ফারুককে হত্যার উদ্দেশ্যে ৩০৭ ধারায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকায় বিজ্ঞ আদালত আসামীর জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
নুরুল আফছার সোহাগ,ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড যাত্রাসিদ্দি পূর্ব গোবিন্দপুর বলিবাড়ির বজলের রহমানের ছেলে। সে অত্র ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন বলে জানা যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নুরুল আফছার সোহাগ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতি ও ছিনতাই চক্রের মূলহোতা। তার বিরুদ্ধে মহাসড়কে চাঁদাবাজিসহ ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের বিভিন্ন মামলা রয়েছে। সে পেশায় একজন ট্রাক ড্রাইভার। ৫ আগস্টের পরে জামাই ফারুকের নেতৃত্বে পুরো ইউনিয়নজুড়ে আধিপত্য বিস্তার করে চলেছেন। ইউনিয়নের অনেক প্রবাসীর কাছ থেকে চাঁদা আদায় করা,কেউ দালান বিল্ডিং নির্মাণ করতে গেলে তাকে দিতে হবে চাঁদা। অনেকেই তার হাতে মারধরের শিকার হয়েছেন বলে জানা যায়। এলাকায় শালিস বানিজ্যসহ নানা অপকর্মের মূলহোতা হিসেবে বেশ পরিচিত এই সোহাগ। আওয়ামীলীগের আমলে তাদের দোসরদের সাথে সক্রিয় দালালীতে মত্ত ছিলেন তিনি। আর এখন ইউনিয়ন কৃষকদলের সভাপতি হয়ে আরো বেপোরোয়া হয়ে গেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পেশাগত দায়িত্ব পালনের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হোন সাংবাদিক মো. ওমর ফারুক। সিলোনিয়া মাদ্রাসার একটু সামনে ছালেহ আহাম্মদের দোকানের সামনে গেলে কিছু বুঝে উঠার আগে পার্শ্ববর্তী এলাকার কুখ্যাত সন্ত্রাসী ওমর ফারুক প্রকাশ জামাই ফারুকের নের্তৃত্বে একদল সন্ত্রাসী তার উপর হামলা চালিয়ে তাকে মারাত্বক আহত করে ফেলে যায়। এ ঘটনায় সাংবাদিক ফারুক বাদি হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো কয়েকজনকে অজ্ঞাত আসামী করে ফেনী মডেল থানায় মামলা-৫৫ দায়ের করেন।




