১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ |
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয় >> টপ নিউজ >> ফেনী
  • হাজারী কলেজের টাকা হরিলুট
  • সাড়ে ৫ কোটি টাকা লাপাত্তা!

    হাজারী কলেজের টাকা হরিলুট

    দৈনিক আমার ফেনী

    * ৩০ বছরেও হয়নি অডিট, খাজনা না দেয়ায় ৯৯ শতাংশ জমি খাস খতিয়ানে

    জমির বেগ
    ফেনীর জয়নাল হাজারী কলেজের প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা লাপাত্তা। অডিট কমিটির প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে এসেছে বলে জানা যায়। তবে লুটকৃত টাকার পরিমান ১০ কোটি ছাড়াবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
    ২০২৩ সালের (গত বছরের) ৩১ আগস্ট দৈনিক আমার ফেনীতে ‘হাজারী কলেজের টাকা নিয়ে ছুদুর বুদুর!’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। প্রতিবেদনে কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবদুল হালিম কলেজের কোটি টাকা আতœসাত করেছেন মর্মে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়। প্রতিবেদনে অধ্যক্ষ আব্দুল হালিমের বিরুদ্ধে কোটি টাকা আতœসাৎ ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের কথা লেখা হলেও অডিট না হওয়ার অজুহাতে বিস্তারিত কোন তথ্য জানায়নি কলেজ পরিচালনা কমিটি। কলেজ কর্তৃপক্ষ তখন প্রতিবেদককে জানিয়েছিলেন তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি অডিট কমিটি করা হয়েছে। কমিটি রিপোর্ট দেয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।
    জানা যায়, গত কিছুদিন আগে হাজারী কলেজের ইন্টারনাল অডিট সম্পন্ন হয়েছে। সে অডিটে প্রায় ৫ কোটি ৪৫ লাখ টাকার কোন হদিস পাওয়া যায়নি। অডিট কমিটির আহবায়ক ছিলেন কলেজ পরিচালনা কমিটির বিদ্যোৎসাহী সদস্য ও ফেনী সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এ.কে.শহীদ উল্যাহ খোন্দকার। অপর সদস্যরা হলেন ফেনী সরকারি কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোশারফ হোসেন ও হাজারী কলেজের অভিভাবক প্রতিনিধি মো. সাহাব উদ্দিন।
    এব্যাপারে জানতে চাইলে অডিট কমিটির আহবায়ক এ কে শহীদ উল্যাহ খোন্দকার বলেন, আমরা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবদুল হালিমের সাথে যোগাযোগ করেছি। তার সাথে বৈঠকে বসবো। এ মুহুর্তে কিছু বলা যাবে না। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাবো।
    জানা যায়, ১৯৯৩ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কলেজটির কোন অডিট হয়নি। তবে ৩ বার অভ্যন্তরিন অডিট হয়েছে। অভ্যন্তরীন অডিট রিপোর্টগুলো শুধু রেজুলেশনে সীমাবদ্ধ ছিলো। কলেজ প্রতিষ্ঠার ৩ বছর পর থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত কলেজটির অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আবদুল হালিম। চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি ৬ মাসের জন্য পুনরায় কলেজটির এডব কমিটির সভাপতি হন। অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘ ২৭ বছর ধরে তিনি দায়িত্বে থাকার সুবাদে পুরো চুষে খেয়েছেন কলেজটিকে।
    জানা যায় আবদুল হালিম কলেজ পরিচালনায় যতটুকু দক্ষ ছিলেন আর্থিক অনিয়মে তিনি ততটা দক্ষ ছিলেন। কলেজের যাবতীয় হিসাব তিনি ছাড়া আর কেউ জানতেন না। কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের সাহস ছিলনা তার সামনে এসে হিসাব নিকাশের ব্যাপারে কথা বলার। তিনি টাকা লোপাটে এতো ব্যস্ত ছিলেন, ৩০ বছরেও কলেজের জমির খাজনা দেওয়ার প্রয়োজনীয়তাও তার মনে আসেনি। তার গাফলতির কারনে কলেজটির ১৩৩ শতাংশ জমির মধ্যে ৯৮.৫ শতাংশ জমি খাস খতিয়ানে চলে যায়।
    কলেজর বিভিন্ন শিক্ষকরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অধ্যক্ষ তিনজন শিক্ষককে নিয়ে পুরো কলেজ নিয়ন্ত্রন করেছেন। তারাই অডিটসহ সব কিছু করতো। চাবি অধক্ষের কাছেই থাকতো। টিচারদের দেড় কোটি টাকার এফডিআর ছিলো। এখন কত টাকা আছে তাও তারা জানে না। গত ১৫ বছর কোন টিচার নির্বাচন দেননি। অডিট কমিটি করেননি। সেক্রেটারি নির্বাচন করে নাই। একটি শৃঙ্খলা কমিটি করেনি। কলেজ পরিচালনার জন্য কোন কমিটিই তিনি করেননি। তারা তিনজনের কমিটিই পুরো কলেজ নিয়ন্ত্রন করতো। তিনি শিক্ষকদের পি.এফ থেকেটাকা নিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করে থাকে। অথচ গভর্নিং বডির অনুমোদন ছাড়া এ টাকা উত্তোলন করা যায় না।
    গভনিং বড়ির অনুমোদন না নিয়ে তখনকার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ থেকে ২ লাখ টাকা, রসায়নের সহকারী অধ্যাপক অঅবুল বাশার থেকে ৩ লাখ টাকা, ভুগোল বিষয়ের সিনিয়র প্রভাষক জাহেদুল ইসলাম থেকে ৩ লাখ টাকা, অফিস করনিক ভুষন চন্দ্র বসাক থেকে ১ লাখ টাকা নিয়ে তাদের ফেরত দেয়নি মর্মে একটি অভিযোগ হাতে এসেছে। ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় ফেনী সরকারি কলেজ থেকে প্রাপ্ত ১ লাখ ৬০ হাজার কলেজ ফান্ডে জমা না দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ২০২০ ও ২০২১ সালে উচ্চ মাধ্যমিক ভর্তি পরীক্ষায় তিনি ভর্তি বানিজ্য করেছেন। ডিগ্রী (পাস) কোর্সে প্রায় ৭২ জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করে জনপ্রতি ৩ হাজার ৫০০ টাকা কারনিক ভুষন চন্দ্রের সহযোগীতায় নিজে আতœসাৎ করেছেন। কলেজের আইসিটি পরিদর্শক গনেশ চন্দ্র ভৌমিক নামে একজন থেকে লক্ষাধিক টাকার আর্থিক সুবিধা নিয়ে অধ্যক্ষ (¯œাতক পাস করা) তাকে বিধি বর্হিভূতভাবে শ্রেণি কক্ষে পাঠদান করার সুযোগ দেন। যা বাংলাদেশে বিরল।
    ব্যবস্থাপত্র হিসাব বিভাগে আনার্সে ভর্তির সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা করে নিলেও জমা দেন ৯ হাজার টাকা করে। ২ হাজার টাকা বিভাগীয় ফান্ডে জমা দিবেন বলেও দেননি। অর্থনীতি বিভাগের ছাত্রদের থেকে ১১ হাজার টাকা করে নিলেও কোন টাকা ফান্ডে জমা দেননি বলে জানা যায়। বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার কেন্দ্র ফি বাবাদ পাওয়া প্রাপ্ত টাকার অধিকাংশই তিনি ব্যক্তিগত ভাবে নিয়ে যেতেন বলে জানা যায়।
    জানা গেছে, কলেজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত নতুন শিক্ষার্থী ভর্তির সময় কলেজ উন্নয়নের চাঁদা বাবদ প্রতিটি শিক্ষার্থী থেকে যে ফি নেয়া হয়েছিলো তার হিসাব নেই। এতো বছর ধরে চাঁদা গ্রহন করা হলেও তা কলেজের কোন ফান্ডে জমা হয়েছে তাও জানে না কলেজ সংশ্লিষ্টরা। কলেজটিতে বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা দুই হাজার ৫০০। প্রতি বছর কলেজটিতে একাদশ শেণিতে ৮০০ ও স্নাতক শ্রেণিতে ৫০০ জন করে শিক্ষার্থী ভর্তি হয়। চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ৮০০, স্নাতক ৫০০ ও অনার্সে ৫০০ শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে বলে জানা যায়।
    কলেজটির অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে তাঁর চাকরির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তিনি জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে এক বছর চাকরির মেয়াদ বাড়ান। তারপর তিনি নিজের বেতন নিজেই নির্ধারণ করেন। জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় তাকে প্রভাষক হিসেবে এক বছর বৃদ্ধি করেন। তিনি কলজেটির প্রভাষক হিসেবে পদায়ণ পান। পদায়ন পেয়ে নিজের বেতন করেন ৫০ হাজার টাকা। আবার কলেজ ফান্ডের টাকাতো আছেই।
    কলেজ সূত্রে জাানা যায়, কলেজের অন্যান্য প্রভাষকদের মসিক বেতন সব মিলিয়ে ১৩ থেকে ১৫ হাজার টাকা করে। অধ্যক্ষ হালিম অবসরে যান ২০২২ সালের ২৬ জানুয়ারি। এক বছর মেয়াদ বাড়িয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করেন ২০২৩ সাল পর্যন্ত। তারপর তিনি হন কলেজ এডব কমিটির সভাপতি। অধ্যক্ষের মেয়াদ শেষে পুনরায় সভাপতি হওয়ার পরই সচেতন মহলের সন্দেহ হয় কলেজটিকে নিয়ে।
    আবদুল হালিম ১৯৯৭ সাল থেকে ২৭ বছর কলেজটির অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন বলে জানা যায়। জানা যায়, কলেজের বিভিন্ন কাজ তিনি কোন রকম টেন্ডার ছাড়াই মৌখিক টেন্ডারের মাধ্যমেও টাকা হাতিয়ে নিতেন। কলেজের অভ্যন্তরীন সড়কটিও তিনি কোন রকম টেন্ডার ছাড়া মেস্ত্রী ঠিক করে নির্মাণ করেন। কলেজের একটি তিনতলা ভবনও এভাবে নির্মাণ করা হয়।
    কলেজে ছাত্র ভর্তি করার একটি সংখ্যা আছে। তিনি হাজারাী কলেজে নির্দিষ্ট সংখ্যক ছাত্রের বাহিরেও শতশত ছাত্র ভর্তি করাতেন। তাদের থেকে বেতনসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিতেন। সে টাকাগুলো কোন ফান্ডে জমা হতো না। পরবর্তীতে তাদের অন্য কলেজের ছাত্র দেখিয়ে পরীক্ষার সুযোগ করে দিতো। কলেজ অধ্যক্ষের ও শিক্ষদের দুটি কক্ষ সাড়ে ৫ লাখ টাকা করে মোট ১১ লাখ টাকায় ২০২২ সালে সংস্কার করা হয়। বাস্তবে সেখানে কত টাকা খরচ হয়েছে সে ব্যাপারেও কেউ কিছু জানে না। এসব কাজ তিনি টেন্ডার ছাড়াই নিজের ইচ্ছেমতো করতেন।
    কলেজ সূত্রে জানা যায়, কলেজের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে বেতন নেয়া হতো সে টাকা অধ্যক্ষ কলেজের প্রধান হিসাব রক্ষক ভুসন চন্দ্র বসাইর মাধ্যমে নিজের জিন্মায় রাখতেন। বসাইও অধ্যক্ষের দোহাই দিয়ে নানান সুযোগ সুবিধা নিতো। দৈনিক আদায়কৃত টাকা দৈনিক বা তার পরের দিন ব্যাংকে জমা দেয়ার বিধান থাকলেও অধ্যক্ষ বা বসাই কেউ তা মানতেন না। কলেজ অধ্যক্ষের যখন মনে চায় তখন তিনি নিজের ইচ্ছেমতো কিছু টাকা ব্যাংকে পাঠাতেন। কখনও কখনও কয়েক মাস পরও আদায়কৃত টাকার একটি অংশও ব্যাংকে জমা দেয়া হতো না।
    অধ্যক্ষ আবদুল হালিম এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন শিক্ষককে মামলা দিয়ে হয়রানি করা একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে রয়েছে ভর্তি বানিজ্যের অভিযোগ। সর্বশেষ ২০২৩ সালেও তিনি অনিয়মতান্ত্রীকভাবে ৩৫ জনকে শিক্ষার্থীকে কলেজে ভর্তি করেছেন বলে জানা যায়।
    কলেজের স্টাফ ভুষন চন্দ্র বসাইকে তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।
    এক শিক্ষক জানান, প্রতি বছর কলেজের পুরনো মালপত্র যেমন কাগজ, পুরনো রডসহ বিভিন্ন জিনিসও লাখ লাখ টাকায় বিক্রি করা হয়। গত বছরও এক লাখ ৭০ হাজার টাকার মতো মাল বিক্রি করা হয়েছে। বাস্তবে টাকাগুলো কোথায় গেছে আমরা জানি না। আরেক শিক্ষক জানান, কলেজে অনেক ঘাপলা আছে, আর্থিক অনিয়ম আছে।
    প্রসঙ্গত; ২০২৩ সালের ২০ জুলাই কলেজটি নতুন পরিচালনা কমিটি দায়িত্ব বুঝে নেন। নতুন কমিটির সভাপতি হন ফেনী সদর উপজেলার চেয়ারম্যান শুসেন চন্দ্র শীল। দায়িত্ব বুঝে নেয়ার পর পরই তার সন্দেহ হলে তিনি একডি অডিট কমিটি করে দেন।
    কলেজটির বর্তমান ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন বলেন, বাস্তবে অধ্যক্ষ হালিম স্যারের নেতৃত্বে তিনজন শিক্ষক ও অফিস প্রধান পুরো কলেজ নিয়ন্ত্রন করেছেন। আমরা কলেজের দায়িত্বপ্রাপ্ত হলেও কিছুই জানার সুযোগ ছিলো না। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে সব হিসাব নিকাশ স্পষ্ট। সকল কিছু কাগজে কলমে সঠিক পাবেন। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া টাকা জমা হয়নি কেন সে ব্যাপারেও তিনি কিছু জানেন না বলে প্রতিবেদককে জানান।
    হাজারী কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আবদুল হালিম জানান, এখানে ৫ কোটি না কি অমি কিছু জানি না। উনারা বলেছেন আমার সাথে বসবে। আমার সাথে উনারা বসেও নাই। উনারা উনাদের মতো কি করেছে আমি কিছু জানি না। এটাতো উনারা উনাদের মতো করে একটা বাহির করেছে। আমি কিছু জানি না। কলেজের সভাপতি আমার সাথে বসবে বলেছেন। বসার পর সকল কিছু জানবেন। আমার বিরুদ্ধে আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যে। হারুন সাহেবসহ অন্যদের থেকে যে টাকা নেয়ার কথা বলছেন তা সত্য নয়। তাদের জিজ্ঞেস করুন। কলেজে রেগুলার অধ্যক্ষতো নাই। এখন যিনি আছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শাহাদাত সাহেব। তিনি জীবনে এক দিনের জন্যও ইনচার্জ ছিলেন না। ৫জনকে ডিঙিয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হয়েছেন। তিনিতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হতে পারেন না। আমি চাপে পড়ে তাকে দিয়েছিলাম। কলেজের জমির খাজনা ২০২২ সাল পর্যন্ত দেয়া হয়েছে। মাঠ জরিপের সময় তারা জানতো না জরিপ হচ্ছে। সে কারনে যোগাযোগ করতে পারেনি। বিএসখতিয়ানে সেকারনে জমিটি খাস দেখানো হয়েছে। বাস্তবে মাঠ জরিপের দায়িত্বে যিনি ছিলেন তিনি যে কোন কারনে জয়নাল হাজারী বিদ্বেষী ছিলেন সে কারনে হয়তোবা কলেজ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করেন নি। ২০২২ সালে মন্ত্রনালয় থেকে অডিট করা হয়েছে। করোনা কালে কলেজ কর্তৃপক্ষ কোন অডিট করেনি। অন্য সময় অডিট হয়েছে। শিক্ষক সেক্রেটারি প্রতিবছর নির্বাচিত করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে একটি পক্ষ অপ-প্রচার চালাচ্ছেন।
    কলেজটির পরিচালনা কমিটির বর্তমান সভাপতি শুসেন চন্দ্র শীল বলেন, অডিট কমিটির অডিটে অনেক অনিয়ম উঠে এসেছে। আমার ধারনা মন্ত্রনালয় বা ডিজির তত্ববধানে যদি অডিট করা হয় তাহলে লোপাটকৃত টাকার পরিমান দ্বিগুন হবে। অনেক অনিয়ম বের হয়ে এসেছে। অধ্যক্ষ হালিম সাহেবের সাথে আলোচনা চলছে। টাকাগুলো উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কিছু দিনের মধ্যেই বিস্তারিত জানানো হবে।
    তিনি আরো বলেন কলেজের জমিটি যে খাস খতিয়ানে চলে গেছে এর দায় কিছুতেই অধ্যক্ষ এড়াতে পারে না। মাঠ জরিপ, ৩০ ধারা, ৩১ ধারা কোন জায়গায় তিনি যথাযথ দায়িত্ব পালন করেননি।

    আরও পড়ুন

    মেধার অন্ধ অহংকারে অন্যকে অসম্মান করার অদম্য স্পৃহা থেকে বের হয়ে আসুন
    বিভ্রান্তিকর ও স্বার্থপরতার আন্দোলন!
    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃত করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা
    ফেনীতে মাদকদ্রব্য অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস পালিত
    মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে?
    মেধা-কোটা বিতর্ক
    গ্রেফতার হলেন ব্যারিস্টার সুমনকে হত্যার হুমকিদাতা
    কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে আপিল বিভাগের স্থিতাবস্থা জারি